ট্রেনের দুজন চালক ঘুমিয়ে থাকায় প্রাণহানি: তদন্ত প্রতিবেদন


তূর্ণা নিশীথা

গত সোমবার দিবাগত রাতে কসবার মন্দবাগ এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী তূর্ণা নিশিথা ও সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দবাগ রেল স্টেশনে ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য তূর্ণা নিশীথার চালক, সহকারী চালক ও গার্ডকে দায়ী করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে বিভাগীয় পর্যায়ের তদন্ত কমিটি।

শুক্রবার দুপুরে রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. শামছুজ্জামানের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্ত দলের সদস্যরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিভাগীয় পর্যায়ের গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আজ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন জমা দেয়ার শেষ সময় থাকলেও একভাগ কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারিনি। সকালে আবারও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সম্পূর্ণ প্রতিবেদন ডিজির কাছে জমা দেয়া হয়।’

তবে এ বিষয়ে রেলমন্ত্রী ও ডিজি আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকায় ব্রিফ করবেন বলে জানান তিনি।

জানা গেছে, দুর্ঘটনার জন্য তূর্ণা নিশীথার ট্রেনচালক তাছের উদ্দিন ও সহকারী চালক অপু দেকে দায়ী করা হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার জন্য দায়ী করা হয়েছে গার্ড আবদুর রহমানকে। দুই চালক ঘুমে ছিলেন, এ বিষয়ে কমিটি নিশ্চিত হয়েছে। কুয়াশা ও মাটির স্তূপের জন্য স্টেশনের সিগন্যাল দেখতে পাননি বলে চালকরা যে দাবি করেছে, তদন্তে তার সত্যতা মেলেনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার ৯৯ ভাগ তদন্ত কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেল স্টেশনে তূর্ণা এক্সপ্রেস ও উদয়ন এক্সপ্রেসের সংঘর্ষের কারণ ও বেশ কিছু সুপারিশের বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার দিবাগত রাতে কসবার মন্দবাগ এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী তূর্ণা নিশিথা ও সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হন।

এসএম/আওয়াজবিডি