/ins>

আদালতে ২ আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধি

নবীগঞ্জে জোড়া খুনের রহস্য উদঘাটন

মোঃ নাবিদ মিয়া, নবীগঞ্জ থেকে

নবীগঞ্জে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে বউ-শাশুড়িকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। ১৭ মে, বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শম্পা জাহানের আদালতে অভিযুক্ত জাকারিয়া আহমেদ শুভ ও তালেব হোসেন এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন। শুভ বানিয়াচং উপজেলার খাগাউড়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের পুত্র এবং তালেব হোসেন নবীগঞ্জ উপজেলার আমতৈল গ্রামের আমির হোসেনের পুত্র।

আদালতের বরাত দিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নবীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক পার্থ রঞ্জন চক্রবর্তী জানান, উপজেলার সাদুল্লাহপুর গ্রামের লন্ডন প্রবাসী আখলাছ মিয়ার বসতঘর ও তার পরিবারের লোকজনের দেখাশোনা করতেন তালেব হোসেন নামে এক ব্যক্তি। দীর্ঘদিন দেখাশোনা করত বলে আখলাছের স্ত্রী রুমি বেগমকে (২২) তালেব প্রায়ই কু-প্রস্তাব দিতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বেশ কয়েকবার ঝগড়ার ঘটনাও ঘটে।

তালেব ছাড়াও অভিযুক্ত জাকারিয়া আহমেদ শুভও রুমিকে প্রায়ই বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করতেন। একপর্যায়ে তালেব ও শুভ দুজন একত্র হয়ে রুমিকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করেন। একপর্যায়ে ১৩ মে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তারা আখলাছ মিয়ার ঘরে ঢুকে রুমিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় আখলাছ মিয়ার মা মালা বেগম বিষয়টি আঁচ করতে পেরে রুমির দিকে এগিয়ে গেলে তারা তার ওপর চড়াও হয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত ও কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে তারা ধর্ষণ করতে না পেরে রুমিকেও হত্যা করেন।

/ins>

ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঐ রাতেই ও তালেব হোসেনকে আটক করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত সোমবার দুপুরে জাকারিয়া আহমেদ শুভকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় ১৫ মে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নিহত রুমির ভাই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন হওয়ায় বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা।

/ins>

Comments With Facebook